1. dailygonochetona@gmail.com : admi2017 :
  2. aminooranzan@gmail.com : Amin Anzan : Amin Anzan
  3. aminooranzan24@gmail.com : Amin Anzan : Amin Anzan
  4. chanmiahsw@gmail.com : chan miah : chan miah
  5. sbnews74@gmail.com : sajahan biswas : sajahan biswas
রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

সারাদেশে দুইশত পেডি সাইলো নির্মাণ করা হবে —খাদ্যমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১, ১০.০৭ পিএম
  • ৭১ বার পঠিত

শাহজাহান বিশ্বাসঃ ১৯ অক্টোবর ২০২১
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, সারাদেশে ২শ’টি পেডি সাইলো নির্মান করা হবে। ইতিমধ্যে একনেকে ৩০টি পেডি সাইলো নির্মাণের অনুমতি পাওয়া গেছে। এর একেকটি পেডি সাইলোর ধারণ ক্ষমতা হবে ৫হাজার মেট্রিক টন। কৃষকরা ভিজা ধান নিয়ে আসলে তা এক ঘন্টার মধ্যে শুকিয়ে সেই ধান আমরা ১৪ পারসেন্ট করে অটোমেটিক্যালি সাইলো দিয়ে তাকে পয়সা দিয়ে বিদায় করে দিতে পারবো। প্রাথমিক অবস্থায় যেখানে জমি অধিগ্রহণ করা হবে না সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে সম্পূর্ণ জিওজি অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ত্রিশটি পেডিক সাইলো নির্মিত হবে।
মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) শিবালয় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে খাদ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে বসবাসরত দরিদ্র,অনাগ্রসর,ক্ষুদ্র, নৃগোষ্ঠী এবং দুর্যোগপ্রবন এলাকার জনগোষ্ঠির নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণের জন্য হাউজহোল্ড সাইলো সরবরাহ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগীদের মধ্যে হাউজহোল্ড সাইলো বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ,এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় এমপি, মানিকগঞ্জ- ২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম এমপি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খুরশিদ ইকবাল রেজবী, মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা রেজাউর রহমান খান জানু, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন সুলতানা এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মজিবুর রহমান।
তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রায় আড়ায় কোটি লোকের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচী গ্রহণ করেছেন।আমরা এই খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর যে কার্ডগুলো আছে, এগুলো আমরা ছয় মাসের মধ্যে ডিজিটালাইস্ট করে ফেলবো। আইসিটি মিনিস্টির সাথে আমাদের কথা হয়েছে। প্রতিটি কার্ড স্মার্ট কার্ড থাকবে, যার কার্ড সে ব্যাক্তি না নিয়ে গেলে চাল পাবেনা, শো করবে না। আমরা সেই লাইনে চলে যাচ্ছি। কারো কার্ড নিয়ে কেউ খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর চাউল তুলতে পারবে না।
আপনারা জানেন যে ওএমএস আমরা প্রতি কেজি ৩০টাকা করে চাউল এবং ১৮টাকা করে আটা বিতরণ করছি। শুধু তাই না প্রথম যখন করোনা আসে তখন একটি দল বলেছিল এই দেশে ২ লক্ষ লোক না খেয়ে মারা যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতাবেক খাদ্য মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন প্রশাসন, রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিগণের পদচারনায় এবং পদক্ষেপের কারণে একটি লোকও করোনাকালে না খেয়ে মারা যায় নাই। আমরা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি। অতএব যারা সবসময় আওয়ামীলীগের এবং শেখ হাসিনার দুর্ণাম করে তারা সবসময় করবেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে বলেছেন কুকুর ঘেউ ঘেউ করবেই, রাজা রাজ পথ দিয়ে চলবে,কাজের কাজ, কাজ করে যাবে, কে কি লিখলো, কে কি বললো, এটা বড় কথা না। তবে মনে রেখো নিজের সততা, নিষ্ঠা এবং দুর্নীতি মুক্ত হয়ে কাজ করো, তোমাদেরকে কেউ কিছু বলতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা নিয়েই কিন্তুু আমরা কাজ করছি।
তিনি আরো বলেন, আজকে আমরা কি দেখছি। একশ্রেণীর লোক প্রতিদিন টিভির সামনে এসে বলেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করে ফেলেছে, গনতন্ত্রকে হত্যা করে ফেলেছে। গনতন্ত্রের ভাটাটা কার জন্য পড়েছে। যারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছে না, গনতন্ত্রকে তাড়াই হত্যা করছে, তাদেরই গণআদালতে বিচার হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ আমরা তো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালে মেরে ফেলার পরে ১৯৭৯ সালের নির্বাচন থেকে আমরা সরে যায়নি। আমরা নিশ্চিত ফেল জেনেও হা না ভোট, চুরি করা ভোটে, ১৯৮৬ সালের নিশ্চিত ফেল যেনেও তো আওয়ামীলীগ নির্বাচনে গিয়েছে। এখন ওনারা ক্ষমতায় গেলে বা নিয়ে আসলে নির্বাচন সঠিক আর ওনারা ক্ষমতায় না গেলে নির্বাচন সঠিক নয়। এই যারা বলে তারাই গণতন্ত্রের হত্যাকারী তাদের থেকে বিরত থাকতে হবে।
এই পদ্মা সেতু নির্মাণ করার সময় তারা বলেছিল এই পদ্মা সেতু আওয়ামীলীগ করতে পারবে না। আর করতে পারলেও এটা ভেঙ্গে পড়ে যাবে, এটার উপর দিয়ে হাটা যাবে না। পদ্মা সেতুতো হয়েছে, কর্ণফুলী টানেল হয়েছে, মাতার বাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রত্যেকটি বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ দিবো, বিদ্যুততো হয়েছে, রাস্তা ঘাট হয়েছে, মানুষ না খেয়ে নাই। মানুষ আগে খালি পায়ে, ছেড়া জামা-কাপর পড়ে মিটিংয়ে এসেছে। আর এখন মানুষ ভাল জামা-কাপড় পড়ে মিটিংয়ে আসছে। এখন সবাই টুথপেস্ট আর ব্রাশ দিয়ে দাত মাজে। এটাই তো শেখ হাসিনার উন্নয়ন। এটা দেখতে পায়না তারা এবং দেখতে চাইওনা তারা।
আমার কথা হচ্ছে, যারা মানীয় প্রধানমন্ত্রীর গায়ে কালিমা দেওয়ার জন্য উঠে পরে লেগে আছে এবং যারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বার বার হত্যা করার চেষ্টা করছে। এই সমাজকে এই যুব সমাজকে বা আওয়ামীলীগের সকল নেতা কর্মীকে রুখে দাড়াতে হবে, নিজেদেরকে প্রস্তুুত থাকতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। রাজনৈতিকভাবে রুখে দাড়াতে হবে, মানুষকে ভালবেসে রুখে দাড়াতে হবে। মানুষকে বুঝিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মকান্ডগুলো মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। মানুষকে বুঝাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি আসুন আজকে যারা যে দলেরই হোক না কেন বিএনপি বলেন, জামাত বলেন, আওয়ামীলীগ বলেন, শেখ হাসিনার উন্নয়নের কিছুই পাননি বুকে হাত দিয়ে কি কেউ বলতে পারবেন? একজন লোক যদি বলতে পারেন আমি পাই নাই। তাহলে আমি মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে চলে যাবো।
সবশেষে উপকারভোগীদের মাঝে হাউজহোল্ড সাইলো বিতরণ করা হয়েছে। জেলার শিবালয়, হরিরামপুর ও দৌলতপুর দুর্যোগপ্রবন তিনটি উপজেলায় ১৩ হাজার পিস পারিবারিক সাইলো বরাদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে শিবালয় উপজেলায় ৫ হাজার, দৌলতপুরে ৪হাজার এবং হরিরামপুরে ৪হাজার পিস। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিতরণ করা হবে। এ সকল পারিবারিক সাইলোতে ৪ কেজি ধান আথবা ৫৬ কেজি চাল অথবা ৭০লিটার পানি সংরক্ষণ করা যাবে।
উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮টি বিভাগে ২ জেলার ৫৫টি উপজেলায় ৩লাখ পারিবারিক সাইলো বিতরণ করা হবে।
শাহজাহান বিশ্বাস/গণচেতনা

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazargonoche21

© All rights reserved  2020 Gonochetona.com