1. dailygonochetona@gmail.com : admi2017 :
  2. aminooranzan@gmail.com : Amin Anzan : Amin Anzan
  3. aminooranzan24@gmail.com : Amin Anzan : Amin Anzan
  4. chanmiahsw@gmail.com : chan miah : chan miah
  5. sbnews74@gmail.com : sajahan biswas : sajahan biswas
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বিজিবি’র টহল উপেক্ষা করে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীরদের ভীড়

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১, ১.১০ এএম
  • ১৪৫ বার পঠিত

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ১০ মে

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে প্রশাসন ও বিজিবি’র টহল উপেক্ষা করে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে ফের যাত্রীরদের ভীর দেখা গেছে। সড়ক ও নৌপথে বাড়তি ভাড়া দিয়ে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে যাত্রীরা ছুটছে বাড়ির দিকে। পথে ঘাটে শত বাধা নানাবিধ হয়রানি দীর্ঘ পথ পায়ে হাটার অমানবিক পরিশ্রম উপেক্ষা করে পারের অপেক্ষায় ঘাটে ভীড় করছে শত শত মানুষ। এসব যাত্রীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সুযোগ সন্ধানি নামধারী ও চিহ্নিত কিছু লোকজন বিশেষ ব্যবস্থায় যাত্রী প্রতি ৮শ’ থেকে ১হাজার টাকা আদায় করে ইঞ্জিন চালিত নৌকাযোগে যাত্রী পারাপার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার সকালের দিকে ফেরি বন্ধ থাকায় আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে নদী পার হওয়ার জন্য ঘাট এলাকায় হাজার হাজার যাত্রী অপেক্ষা করতে থাকে। আবার অনেকে ঘাট এলাকা ও প্রশাসনের নজরদারির বাইরে বাড়তি ভাড়া দিয়ে ইঞ্জিন চালিত স্যালো নৌকাযোগে নদী পার হতে দেখা গেছে। আবার রোগী ও লাশবাহী গাড়ি পারাপারের জন্য দু’একটি ফেরি চলাচল করলেও এসব ফেরিতে যাত্রীরা হুরমুর করে উঠে গাদাগাদি করে বসে বাড়ি ফিরছে। এতে একদিকে করোনা সংক্রমনের ঝুকি বাড়ছে এবং অপরদিকে সীমাহিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এসব যাত্রীদেরকে।
সোমবার (১০ মে) সকালে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দেখা যায়, ভোর থেকে ঘরমুখী হাজার হাজার যাত্রী ঘাট এলাকায় এসে জড়ো হয়েছে। পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট থেকে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স পার করতে গেলে যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ওই ফেরিতে উঠে পড়ে।
এছাড়া পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশে সাড়ে ৯টায় ছেড়ে যায় চন্দ্রমল্লিকা ও হাসনা হেনা ফেরি। এরপর ১১টার দিকে বনলতা নামের আরেকটি ছোট ফেরি ঘাট ছেড়ে যায়। এসব ফেরিতে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ ছিল।
অন্যদিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে পাটুরিয়া ঘাটে আসে তিনটি ফেরি। ফেরি পল্টুনে ভেড়া মাত্রই যাত্রীরা হুড়মুড় করে উঠে পড়ে। এতে ¯^াস্থ্যবিধি কিংবা সামজিক দূরত্বের কোনো বালাই ছিল না। ঝুঁকি জেনেও বাড়ি ছুটছে এসব মানুষ।  স্ব-জনদের সঙ্গে ঈদ করাই যেন তাদের একমাত্র লক্ষ্য। দেরিতে পাটুরিয়া থেকে ফেরি ছাড়ার কারণে ঘাট এলাকা হয়ে ওঠে জনাকীর্ণ।
এ ছাড়া পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সকাল থেকেই আইনশৃক্সখলা  রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের দেখা গেছে। মানিকগঞ্জে তিনটি পয়েন্টে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় জড়ো হচ্ছে হাজারো ঘরমুখী মানুষ।
ঝুকি ও হয়রানি মাথায় নিয়ে বাড়ি ফেরা যাত্রী আফজাল হোসেন বলেন, ঢাকায় থাকার মত আর্থিক সামর্থ নেই। তাই শত কষ্ট হলেও করোনার ঝুকি নিয়েই বাড়ি ফিরছি। ঢাকায় থেকে না খেয়ে মড়ার চেয়ে, মরলেও বাড়ি গিয়ে মরি।
একই ভাবে ক্ষোভের সাথে দুঃখ মিস্ত্রিত কন্ঠে কথা বলেছেন, দিনমজুর আব্দুল কুদ্দুস, জয়নাল আবেদিন, রহিমা খাতুন, রওশোনারা বেগম, অটো চালক লালন মিয়া, আলমগীর হোসেন, পোশাক শ্রমিক রেনু বেগম, সাথি আক্তার, লাভলী বেগম রাজা মিয়াসহ অনেকেই।
ঝুকি নিয়ে যাত্রী পরিবহণ কেন করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মটর বাইক চালক আক্কাস আলী, হোসেন মিয়া, সুমোন মাহমুদ বলেন, ঝুকি থাকলেও করার কিছুই নেই। কারণ সংসারতো চালাতে হবে।
একই প্রশ্নের জবাবে মাইক্রোবাস চালক রহমান, খলিল, শ্যামল, আলা উদ্দিন, মানিক মিয়ারা একই ভাবে কথা বলেছেন। তারা বলেন, ঝুকি ও হয়রানি থাকলেও পেটের দায়ে আমদেরকে গাড়ি চালাতে হচ্ছে । তাছাড়া এসময় বাড়তি কিছু আয় হচ্ছে । পরিবার পরিজন নিয়ে কোন রকম চলতে পারবো।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুয়ায়ী পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরী সেবায় অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি পারাপার করার সময় ফেরিতে উঠে পড়ছে যাত্রীরা। জরুরী সেবায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে দুটি ফেরি চলাচল করছে।

শাহজাহান বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazargonoche21

© All rights reserved  2020 Gonochetona.com