1. dailygonochetona@gmail.com : admi2017 :
  2. aminooranzan@gmail.com : Amin Anzan : Amin Anzan
  3. aminooranzan24@gmail.com : Amin Anzan : Amin Anzan
  4. chanmiahsw@gmail.com : chan miah : chan miah
  5. sbnews74@gmail.com : sajahan biswas : sajahan biswas
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৩:২৯ অপরাহ্ন

মানিকগঞ্জে তরমুজের দাম নিয়ন্ত্রণে আড়তে অভিযান। তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা।

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১, ১০.৩৫ পিএম
  • ১৩২ বার পঠিত

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ২৮ এপ্রিল

মানিকগঞ্জে তরমুজের দাম নিয়ন্ত্রণে আড়তে অভিযান। তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা। পিস হিসেবে তরমুজ
বিক্রয় করতে নির্দেশনা প্রদান।
বুধবার(২৮ এপ্রিল)মানিকগঞ্জের ভাটবাউর ও জাগীর পাইকারি আড়ত ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফলের
দোকানে মানিকগঞ্জ অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
জানা গেছে, চাহিদা বাড়ায় গত কয়েকদিন ধরে তরমুজের ঊর্ধ্বমুখী দাম ও ভোক্তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস এর নির্দেশনায় সকাল ৬ টা থেকে মানিকগঞ্জ জেলার ভাটবাউর
ও জাগীর পাইকারি আড়ত এবং বাসস্ট্যান্ডে ফলের দোকানে অভিযান চালানো হয়।পিস হিসেবে তরমুজের
মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করে মূল্যে কারসাজি করার অপরাধে তিনজন ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
আরোপ করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, আড়তে অভিযান
চালাতে গিয়ে দেখা গেছে বরিশাল, বরগুনা পটুয়াখালী থেকে তরমুজ নিয়ে আসা ব্যবসায়ী বড় সাইজের
তরমুজ প্রতি পিস (৯-১২কেজি) বিক্রয় করছেন ৪০০ টাকা, মাঝারি (৪-৬কেজি) ২২০-২৩০ টাকা ছোট সাইজ
প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকা।
তরমুজের উৎসস্থল পটুয়াখালীর রাঙাবালির ব্যবসায়ী মোঃ বাশার এক ট্রাক (৪,১০০ পিস) তরমুজ নিয়ে
সকাল ৭ টায় হাজির হয়েছেন মানিকগঞ্জ পাইকারি আড়তে। জিজ্ঞেস করলাম ক্রয় রশিদ কোথায়? তিনি উত্তর
দিলেন আমি তরমুজের ক্ষেত কিনেছি ১ কানি ১০ কাঠা ৪ লাখ ৫০হাজার টাকা মূল্যে, ট্রাক ভাড়া ২৫ হাজার
টাকা, প্রতি পিস তরমুজ ক্ষেত থেকে ট্রাকে তুলতে ৫ টাকা হিসেবে ২০,৫০০ টাকা ব্যয়।। সাইজ ভেদে আড়তে
বিক্রি করবেন পিস হিসেবেই উল্লিখিত মূল্যে। খুচরা বিক্রেতা আড়ত থেকে সেগুলো কিনে নিতে লেবার কস্ট,
পরিবহন খরচ ও আড়তদারি পরিশোধ করে লাভে বিক্রি করবেন যা ভোক্তা পর্যায়ে অনেকটাই নাগালের
বাইরে।। তরমুজ আড়তেই বিক্রি হচ্ছে উচ্চমূল্যে।
আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে তাহলে তরমুজ উৎপাদনকারী কৃষক মনে হয় লাভবান। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা
নয়।উৎপাদনকারী কৃষক এর ক্ষেত কিনে নিচ্ছেন মুনাফালোভী মৌসুমি ব্যবসায়ী যারা নিজেরদেরকে ও কৃষক
দাবি করেন এবং বাজারে চাহিদা বাড়ায় বিভিন্ন অযুহাতে চড়া দামে রশিদ ছাড়াই (নামধারী কৃষক) সরবরাহ
করছেন বিভিন্ন আড়তে, এমনটাই বললেন উক্ত ব্যবসায়ী।
মোবাইল ফোনে কথা বললাম রাঙাবালির সেই কৃষকের সাথে, জানতে চাইলাম আপনার ক্ষেতের তরমুজ এর এত
দাম কেন, বিক্রয় রশিদ দেন নি কেন? তিনি বললেন আমি ২ লাখ ৫০হাজার টাকায় ক্ষেত কিনেছি, পরিচরযা
করেছি, অনেক খরচ আর ক্ষেতের পণ্য বিক্রয় করতে তো রশিদ লাগে না। তরমুজ ক্ষেতের মালিকানা হাতবদল
ও অতিরিক্ত চাহিদা তরমুজের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হবার অন্যতম কারণ, বলছেন ব্যবসায়ী ।
তরমুজ এর পাইকারি ও খুচরা সকল বিক্রেতাকে ক্রয় পদ্ধতি অনুযায়ী অর্থাৎ পিস হিসেবে কিনে পিস হিসেবেই
বিক্রি করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।।
অভিযানে সহযোগিতা করেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, মানিকগঞ্জের ক্যাবের
সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্য এবং মানিকগঞ্জের আনসার ব্যাটালিয়ন।

শাহজাহান বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazargonoche21

© All rights reserved  2020 Gonochetona.com