1. dailygonochetona@gmail.com : admi2017 :
  2. aminooranzan@gmail.com : Amin Anzan : Amin Anzan
  3. aminooranzan24@gmail.com : Amin Anzan : Amin Anzan
  4. chanmiahsw@gmail.com : chan miah : chan miah
  5. sbnews74@gmail.com : sajahan biswas : sajahan biswas
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন

জাতিরজনকের পাশের মানুষটির নাম খন্দকার মাজহারুল হক চাঁন মিয়া “মৃত্যুদিনেও কেউ তাঁকে স্মরণ করে না!”

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২১, ১.৩৪ এএম
  • ৮৬ বার পঠিত
জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আমাদের মানিকগঞ্জের আর কারও ছবি আমার নজরে আসেনি,দেখিনি।
জাতিরজনকের পাশের মানুষটির নাম খন্দকার মাজহারুল হক চাঁন মিয়া। শিক্ষাবিদ,পণ্ডিত,এককালের খ্যাতিমান আইনজীবী,মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,গণপরিষদের সদস্যও ছিলেন ।
২৫ মার্চ রাতে মানিকগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত কমাণ্ড কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহন এবং ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর পাকহানাদারমুক্ত মানিকগঞ্জ শহরের দেবেন্দ্র কলেজ মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মার্চপাস্টের সালাম গ্রহন করার বিরল সম্মান এবং গৌরবের অধিকারী ছিলেন খন্দকার মাজহারুল হক চাঁন মিঞা।
খন্দকার মাজহারুল হক চাঁন মিয়া, ১৯১৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩১ সালে ম্যাট্টিক,১৯৩৭ সালে
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ, এবং একই বিদ্যালয়ের অধীনে বি,টি ও বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
ছাত্রজীবনে তিনি অল ইন্ডিয়া মুসলিম স্টুডেন্ট ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন।
কর্মজীবনের প্রথমে হুগলি জেলার বামনা হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক,পরে ১৯৪৭ সালে মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন।
তিনি মানিকগঞ্জ মহিলা কলেজ ও দেবেন্দ্র কলেজের গভর্ণিং বডির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৪৮ সালে মানিকগঞ্জ বারের সদস্য হিসেবে আইন পেশায় যোগদান করেন। তিনি মানিকগঞ্জ বারের একাধিকবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ।
তিনি তৎকালীন মানিকগঞ্জ মহকুমা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং এই পদে ৩০ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৮ সালে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে গ্রেফতার হন এবং দুই বছর কারাগারে আটক থাকেন।
১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে গণপরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের জাতীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ছিলেন।
অর্থবিত্তের প্রতি মোহহীন মানুষ ছিলেন তিনি। ছিলেন অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী।সাহিত্য,ইতিহাস, অর্থনীতি, রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর জ্ঞান ছিল বিস্ময়কর। এসব বিষয়ে তিনি যখন বক্তৃতা করতেন তখন শ্রোতারা হয়ে পরতেন মন্ত্রমুগ্ধ। তা সেই শ্রোতা হোক কলেজছাত্র কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
বরেণ্য এই মানুষটি ১৯৯৩ সালের ৪ জানুয়ারি পরলোকে গমন করেন।
অতি সাধারণ জীবনযাপন করা এই মানুষটির ন্যূনতম মূল্যায়ণ মানিকগঞ্জবাসী করেনি,তাঁর দলও করেনি । তাঁর মৃত্যর কয়েক বছর পর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁরই বাড়ির পাশের হাততিনেক চওড়া একটা গলিপথের নাম রাখা হয়েছে
” চাঁন মিয়া লেন” নামে। এই নামকরণ যে বা যারাই করুক,এর মধ্যদিয়ে তাঁকে সম্মানিত নয় বরং খাটোই করা হয়েছে। “চাঁন মিঞা লেন” এ তাঁকে মানায় না।
মানিকগঞ্জের রাজনীতিকরা চাইলে বঙ্গবন্ধুর প্রিয়জন,বরেণ্য এই জননেতা,পণ্ডিত মানুষটিকে স্মরণীয় করে রাখা এবং সম্মান জানানোর উদ্যোগ নানাভাবে নিতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazargonoche21

© All rights reserved  2020 Gonochetona.com